1. ahekram2006@gmail.com : ah ekram : ah ekram
  2. asadmd7195@gmail.com : JB Admin : JB Admin
  3. janatarbartabd@gmail.com : jb editor : jb editor
আনোয়ারা গুয়াপঞ্চক গ্রামে বন্য হাতির তান্ডব,দোকান-গোয়াল ঘর ভাংচুর! জনতার বার্তা - দৈনিক জনতার বার্তা
সোমবার, ২৭ জুন ২০২২, ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন

আনোয়ারা গুয়াপঞ্চক গ্রামে বন্য হাতির তান্ডব,দোকান-গোয়াল ঘর ভাংচুর! জনতার বার্তা

নিউজ ডেস্কঃ
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৮ জুলাই, ২০২১

নিউজ ডেস্কঃ

আনোয়ারা দেয়াং পাহাড় সংলগ্ন গুয়াপঞ্চক গ্রামে গভীর রাতে বন্য তান্ডব চালিয়ে মুদির দোকান ও গোয়াল ভেঙ্গে ফেলার অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) রাত ১১দিকে পাহাড় থেকে বন্য হাতি লোকালয়ে নেমে এসব তাণ্ডব চালায়।

গুয়াপঞ্চক গ্রামের মোহাম্মদউল্যাপাড়া এলাকার আবদুর রাজ্জাকের মুদির দোকানের দেয়াল ভেঙ্গে চাল,ডাল ও আলুর বস্তা বের করে রাস্তায় নিয়ে নষ্ট করে ফেলে। একই রাতে গুয়াপঞ্চক গ্রামের মাওলানা জালাল উদ্দীনের বাড়ির মোঃ আলী আকবরের গোয়াল ঘরের দরজা ভেঙ্গে গোয়াল ঘরে ডুকে পড়ে বন্যহাতি।এলাকাবাসীর সহযোগিতায় রক্ষা পেল গোয়াল ঘরের গরুগুলো।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ১১টার দিকে দুইটি বন্য হাতি পাহাড় থেকে লোকালয়ে নেমে আসে।এলাকার বিভিন্ন স্থানে কলা গাছ খেয়ে এবং গাছপালা ভেঙ্গে ফেলে।পরে আবদুর রজ্জাকের মুদির দোকান ভেঙ্গে জিনিসপত্র নষ্ট করে।

স্থানীয় বাসিন্দা হারুনুর রশীদ জানান, গতরাতে রাতে বন্যহাতি তাণ্ডব চালিয়ে আমাদের এলাকার গরীব মুদির দোকানী আবদুর রাজ্জাকের দোকান ভাংচুর করে ব্যাপক ক্ষতি করে। এর আগে কয়েকবার এর দোকান ভাংচুর করেছে। আমি বনবিভাগ, উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদ এবং জনপ্রতিনিধিদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানায় গরীব আবদুর রজ্জাককে যেন যথা উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ব্যবস্থা করে দেন।

এসব বন্য হাতি আনোয়ারা দেয়াং পাহাড় সংলগ্ন এলাকায়, বৈরাগ, মহাদেবপুর, পশ্চিমচাল, ছিরাবটতলীসহ বিভিন্ন স্থানে বেশ দীর্ঘ সময় ধরে তান্ডব চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে চলছে। কয়েক বছরে আনোয়ারা উপজেলায় হাতির তাণ্ডবে প্রাণ গিয়েছে অনেক লোকের। এসবের সঠিক কোন সমাধান বা প্রতিকার না পাওয়ায় আতঙ্কে রাত যাপন করতে হচ্ছে এলাকাবাসীর।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
© ২০২০ সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক জনতার বার্তা বিডি পরিবার
কারিগরি সহায়তায় রাফিউল ইসলাম