1. ahekram2006@gmail.com : ah ekram : ah ekram
  2. asadmd7195@gmail.com : JB Admin : JB Admin
  3. janatarbartabd@gmail.com : jb editor : jb editor
একজন আবুল হোসেন খান ও তার রাজনৈতিক জীবন - দৈনিক জনতার বার্তা
সোমবার, ২৭ জুন ২০২২, ০৮:০২ পূর্বাহ্ন

একজন আবুল হোসেন খান ও তার রাজনৈতিক জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২২

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ

একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন খান একদিনে সৃষ্টি হননি। এখানে আসতে উনার জেল জুলুম, অত্যাচার নিপিড়ন সহ অসংখ্য মামলা মোকাবেলা করতে হয়েছে। আবুল হোসেন খান শুধু শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের গর্ব নয়,পুরো তাহিরপুরবাসীর গর্ব । উনার সঙ্গীয় অনেক ত্যাগী নেতাই (শ্রদ্ধেয় প্রয়াত চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, জালাল উদ্দীন, নুরুল আমীন সুহেল চাচা) সহ অনেকেই আজ এই পৃথিবীতে নেই। আল্লাহর রহমতে তিনি এখনও আমাদের মাঝে বেঁচে আছেন। রাজনীতির পায়দা লুটতে আজ অনেকেই মিথ্যাকে সত্য বলে উনাকে নিয়ে কাদা ছোড়াছুড়ি করছেন। একবারও কি ভেবেছেন একজন আবুল হোসেন খান আমাদের শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নবাসী সহ তাহিরপুরবাসীর কতো প্রয়োজন?

১৯৫২ সালে মার্চের ১ তারিখ তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের অজপাড়া বালিয়াঘাট গ্রামে জন্মগ্রহন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন খান। তার পিতার নাম মৃত দিলাবর খান। মাথার নাম তাজুদুনেছা। ১৯৭১ সালের ২৭ শে মার্চ তৎকালিন সংসদ সদস্য মরহুম আব্দুজ জহুরের নেতৃত্বে তাহিরপুর উপজেলা সদরে তিনি জঙ্গি বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল করেন। এই দিনেই জন্ম নেয়া তাহিরপুর থানা সংগ্রাম কমিটির ৮নং সদস্য হিসেবে তালিকাভুক্ত হন তিনি। তিনি একজন বীর মুক্তিযুদ্ধা ও সংগঠক । ১৯৭২ সালে তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন আ.লীগের সদস্য হন তিনি । ১৯৭৫ সালে শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হন তিনি। ১৯৯০ সালে তাহিরপুর থানা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি । ২০০৪ সালে তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন তিনি। ২০১৩ সাল থেকে তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি।

আবুল হোসেন খান জন্মগত ভাবে আওয়ামী লীগ সমর্থক পরিবারের সন্তান তিনি । তিনি আওয়ামী রাজনৈতিক পরিচয়েই শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের ১৯৭২ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত জনগণের ভোটে ইউপি সদস্য পদে নির্বাচিত হন। একই ইউনিয়নে ১৯৮৪ সালে ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান হন। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত একই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন তিনি । ১৯৯৮ থেকে ২০০৩ সাল এবং ২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের ৪ বার চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

১৯৯১, ২০০১ ও ২০০৬ সালে জোট বিরোধী আন্দোলন, জামাত বিএনপির নাশকতা বন্ধের প্রতিবাদ সহ সকল গণআন্দোলনে সব সময় রাজপথের সামনের সারীতে ভুমিকা রেখেছেন তিনি। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক থাকা সময়ে ১/১১ সময়ে বিএনপি জামাত জুটের মিথ্যা মামলায় একনাগারে ৭ মাস কারাভোগ করেন তিনি। তখনকার সরকার দলীয় সাংসদ তাকে আওয়ামী লীগ ত্যাগের জন্য লোভ লালসা দেখালেও তিনি দল ত্যাগ করেননি। অনেক জেল জুলুম নির্যাতন সহ্য করে আওয়ামী লীগকে ভালবেসে নেতৃত্ব দিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৃণমুল নেতাকর্মীদের নিকট তিনি মধ্যমণি হয়ে উঠেছেন।

আমার কিছুদিন সুযোগ হয়েছে উনার সঙ্গে চলার এবং কাছ থেকে দেখার। আমি দেখেছি উনি সত্যকে সত্য, মিথ্যাকে মিথ্যা বলতে একটুও বিচলিত হন না। কখনও অন্যায়ের কাছে তিনি মাথা নথ করেন নি । বুকে হাত দিয়ে কেউ বলতে পারবেন না উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি থাকা স্বত্ত্বেও বিরোধী দল বা শুত্রুতার জের ধরে কাউকে তিনি নাশকতা বা কোন মামলা মোকাদ্দামা দিয়ে হয়রানি করেছেন। তিনি কোনদিন মদ পান করেন না, জুয়া খেলেন নি। কোনদিন মাগি বাজির অপবাদ শুনেনি। বিচার সালিশে কোন পক্ষ নিয়ে কথা বলতে দেখেনি। যা অন্যায় তাই বলেছেন, এ ক্ষেত্রে তিনি নিজ পর বিচার বিবেচনা কতরতে দেখেনি । হ্যা উনার একটু রাগ বেশি। রাগ কার সঙ্গে দেখান। কোনো ভালো মানুষের সঙ্গে নয়। রাগ দেখান চোর, বাটপার ও চাঁদাবাজ ও অনিয়মকারীদের সঙ্গে।
তাই বলি রাজনীতি করুন সততা ও নিষ্টার সঙ্গে। কাদা ছোড়াছুড়ি করে নয়। যাতে পরবর্তী প্রজন্ম আপনাদের কাছ থেকে ভাল কিছু শিখতে পারে।

লেখক, সাংবাদিক এম.এ রাজ্জাক
দৈনিক মানবজমিন
সাধারণ সম্পাদক, তাহিরপুর উপজেলা প্রেসক্লাব

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
© ২০২০ সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক জনতার বার্তা বিডি পরিবার
কারিগরি সহায়তায় রাফিউল ইসলাম