1. ahekram2006@gmail.com : ah ekram : ah ekram
  2. asadmd7195@gmail.com : JB Admin : JB Admin
  3. janatarbartabd@gmail.com : jb editor : jb editor
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে শিশু হত্যার মুল রহস্য উদঘাটনে পুলিশ সুপারের প্রেস ব্রিফিং - দৈনিক জনতার বার্তা
বুধবার, ২৯ জুন ২০২২, ০৭:০৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
হলদিয়া পালং ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত কমিটি  মিন্টু ও কালাম ঝিনাইদহ মহেশপুরে (ভৈরবা) গ্ৰামের এনামুল ১০০ বোতল ফেন্সিডিল ও মাইক্রো গাড়ি সহ আটক গোমস্তাপুরে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার আসামি কে আটক করেছে র‍্যাব ঝিনাইদহ আড়াই’শ বেড হাসপাতালের কাপড় ধোলাই করে কনষ্ট্রাকশন র্ফাম! পেকুয়া বাজার কাঠ ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত সিলেটে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে রেলওয়ের পুলিশ সুপারের উপহার সামগ্রী বিতরন। রীতিমতো সামাজিক যোগাযোগে পরিচিত শামীম আহমেদ! পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে নেহালপুর স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিশাল আনন্দ শোভাযাত্রা

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে শিশু হত্যার মুল রহস্য উদঘাটনে পুলিশ সুপারের প্রেস ব্রিফিং

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৪ মার্চ, ২০২২

মোঃ রাতুল মিয়া, গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ২৭শে ফেব্রুয়ারী হাসনা খাতুন হেনা (১০) এর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার হয়। উক্ত হত্যাকান্ডের মুল আসামী মসজিদের মুয়াজ্জিন মোরসালীন (১৯) তার দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

৩রা মার্চ গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের কার্যালয় হতে প্রেস ব্রিফিং এ পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম জানান, ২৬শে ফেব্রয়ারী সকালে আসামী মোরসালীন যাথারীতি মসজিদের ভিতর মক্তবে পড়ানো শেষে হাসনা খাতুন হেনাকে ১০ টাকার নোট দিয়ে দোকান থেকে বিস্কুট আনতে বলে। বিস্কুট আনার পর হাসনা খাতুন হেনা সহ আরো দুইটি মেয়েকে বিস্কুট খাওয়ায়।

সকাল ৮ টার দিকে আসামী বাইসাইকেল যোগে বর্ধন কুঠি এলাকায় জহিরুলের বাড়িতে মক্তব পড়ানোর জন্য যায়। মক্তব পড়ানো শেষে আনুমানিক ৯ টার দিকে সে তার মসজিদ সংলগ্ন বসবাসরত টিনের ঘরে আসে এবং পাশের এক বাড়ীতে সকালের খাবার খেয়ে আসার পথে রাস্তার হাসনাকে দেখে ডাক দিলে তার থাকার জায়গা টিনের ঘরে আসে হাসনা।

ঘরে আসলে প্রথমে আসামী মোরসালীন হাসনা খাতুন হেনাকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে হাসনা খাতুন হেনা বাঁধা প্রদান করে এবং তার নানীকে বলে দেবে বলে জানান। তখন মোরসালীন হাসনার গলা টিপে ধরলে হাসনা নিস্তেজ হয়ে পরে এবং তখন তাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে হাসনার পরিহিত হিজাব দিয়ে শ্বাস রোধ করে তাকে হত্যা করে। হত্যা করার পর মসজিদের বালু ভর্তি বস্তা খালী করে তাকে বস্তা বন্দি করে। হত্যাকান্ডের ঘটনাকে অন্যখাতে প্রবাহিত করার জন্য সকাল ১১ টার দিকে লাশটিকে তার বাইসাকেলের ক্যারিয়ারের পিছনে বেঁধে বর্ধন কুঠির মানিক কাজীর বাঁশ ঝাড়ের ভিতর রেখে আসে। উক্ত ঘটনায় সন্দেহ ভাজন আরো তিন জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত অন্য তিনজন হলেন আরাফাত, আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং আল-আমিন।

তদন্ত সাপেক্ষ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে প্রেস ব্রিফিং এ জানান পুলিশ সুপার।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
© ২০২০ সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক জনতার বার্তা বিডি পরিবার
কারিগরি সহায়তায় রাফিউল ইসলাম