1. ahekram2006@gmail.com : ah ekram : ah ekram
  2. asadmd7195@gmail.com : JB Admin : JB Admin
  3. janatarbartabd@gmail.com : jb editor : jb editor
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মোজাম্মেলের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্য রহস্য কি - দৈনিক জনতার বার্তা
বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২, ০৩:১০ পূর্বাহ্ন

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মোজাম্মেলের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্য রহস্য কি

গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই, ২০২২

গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানী,জমি জবরদখল,বাড়ি ভাংচুরসহ লুটপাটের অভিযোগ।ঘটনার নেপথ্য রহস্য নিয়ে এলাকায় তোলপাড়।মিলছে পরস্পর বিরোধী বক্তব্য। জনমনে প্রশ্ন, এটি অভিনব কৌশলে জমি জবরদখলের অপচেষ্টা না অন্য কিছু।

আরো জানাযায়,গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপড়হাটী ইউনিয়নের উত্তর মরুয়াদহ গ্রামের মৃত.কলিমউদ্দিনের পুত্র আঃ ছামাদের সাথে একই গ্রামের মৃত.আঃ গণির পুত্র ধুবনী ঝাকুয়া পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হকের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। আঃ ছামাদ দাবী করেন, এ ঘটনার সূত্র ধরে গত ২৩-০৭-২০২২ ইং তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টায় প্রতিপক্ষ মোজাম্মেল হকগং বিরোধপূর্ণ জমিতে থাকা ঘর,আসবাবপত্র,বাউন্ডারীর টিন ভাংচুর করে নিয়ে যায়। এ ছাড়াও পুরাতন বাড়িতে হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাংচুর করাসহ নগদ টাকা, সোনাদানা,গহনাগাঁটি লুটপাট করে।

এ সময় আঃ ছামাদের স্ত্রী, সন্তান বাধা দিতে গেলে তাদেরকেও বেধড়ক মারপিট করা হয়।মোজাম্মেল হক আঃ ছামাদের স্ত্রী আছমা বেগমের শ্লীলতাহানি ঘটায়।হামলায় ৪ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধন করে ১৪ শতক জমি জবরদখল করেন। আঃ ছামাদ স্থানীয় সাংবাদিকের কাছে এমন অভিযোগ তুলে ধরে বিচারের দাবী জানান।

এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অনলাইনসহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ পেলে এলাকায় তোলপাড় শুরু হওয়ায় মিলছে পরস্পর বিরোধী বক্তব্য। অনেকেই বলছেন,আঃ ছামাদের সাথে যদি প্রতিপক্ষ মোজাম্মেল হকের জমি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়ে থাকে সেটি কোন মৌজার দাগ খতিয়ানভুক্ত তা অভিযোগে উল্লেখ করা উচিত ছিল।

ঘটনাস্থল থেকে প্রতিপক্ষ মোজাম্মেল হকের বাড়ি প্রায় অর্ধ কিলোমিটার দূরে। সেখান থেকে এসে কিভাবে বাড়িঘর ভাংচুর লুটপাটের ঘটনা ঘটাতে পারে বিষয়টি বোধগম্য নয়।

আর সত্যসত্যিই যদি এমন ঘটনা ঘটিয়ে থাকে তবে হামলার প্রস্তুতি দেখেই আঃ ছামাদ কিংবা তার স্ত্রী পারতেন জানমাল রক্ষায় চিৎকার দিয়ে লোকজনের সমাগম ঘটাতে। আঃ ছামাদের একটিমাত্র বসতভিটা যেখানে যুগ যুগ ধরে বসবাস করে আসছেন। আবাদি কোন জমিজমা নেই।ছেলে ঢাকায় পোশাক শ্রমিকের কাজ করেন।

আঃ ছামাদ দারিদ্র্যতার কষাঘাতের শিকার হয়ে বিভিন্ন দরবার শরীফে ঘুরে বেড়ান। সংসারে এমন বেহাল অবস্থার মুখে সোনাদানা-গহনাগাঁটি আর ৪ লাখ টাকার মালামাল কোথায় পেলেন বিষয়টি হাস্যকর ও রহস্যজনক।

প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হক এলাকার একজন শিক্ষিত সচেতন ব্যক্তি। সম্প্রতি মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় বাম হাত অপারেশন করেছেন। হাতে রড লাগানো অবস্থায় অধ্যাবদিও অসুস্থ অবস্থায় রয়েছেন।

এমন অসুস্থ ব্যক্তি কি করে ছামাদের স্ত্রী আছমা বেগমের শ্লীলতাহানি ঘটাতে পারেন বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ। যদি ঘটিয়ে থাকেন এর প্রত্যক্ষদর্শীই বা কারা? যেহেতু বিতর্কিত জমি দখলে না থাকা সত্বেও আঃ ছামাদ ১৪৪/১৪৫ ধারায় মামলা করে প্রসেডিং ড্র-আপ দাবী করেছেন এ কারণে বিজ্ঞ আদালত বিতর্কিত জমিতে স্থিতিবস্থা বজায় রাখার আদেশ জারি করেন।

এমন আদেশ থাকা সত্বেও আঃ ছামাদ কি করে বিতর্কিত ওই জমি বেদখল দেয়ার অপচেষ্টা করতে পারেন এমন কর্মকাণ্ড অবাক করার মত।প্রশ্ন উঠেছে, বিতর্কিত জমি দখলে না থাকা সত্বেও মামলায় দখলসত্ব দেখানো হয়েছে এ কারণেই কি আঃ ছামাদ অভিনব কৌশলে জমি বেদখল দিতে বিতর্কিত ঘটনার সৃষ্টি করে উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে চাপানোর অপচেষ্টা করছেন না অন্য কিছু।

জমি ক্রেতা মোজাম্মেল হকের দাবী,আঃ ছামাদের ওয়ারিশগণ অংশ সূত্রে ৪৩ শতাংশ জমি ১৯৭২ ইং সালে ৪২৬ নং কবলা দলিল মূলে বিক্রয় করেন।

এ জমি ১৯৮৪/৮৫ ইং সালে খারিজ খতিয়ানভুক্ত হওয়ার পর বর্তমান ডিবি মাঠ রেকর্ডও মোজাম্মেল হক মাষ্টারের নামে প্রস্তুত হয় এবং জমি ক্রয়ের পর থেকে ভোগদখল করে আসছেন। জমির ফারাজ এবং কাগজপত্রমূলে আঃ ছামাদ এ জমির কোন অংশীদার নয়।

অযথা ১৪ শতাংশ জমি দাবী করে বিরোধ সৃষ্টি করেছেন। যা কখনো কাম্য নয়। সচেতন মহলের ধারণ, পুলিশ প্রশাসন তৎপর হলে সঠিক তদন্তে বেড়িয়ে আসবে ঘটনার আসল নেপথ্য রহস্য।সেই সাথে মিলবে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর। ঘটবে ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
© ২০২০ সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক জনতার বার্তা বিডি পরিবার
কারিগরি সহায়তায় রাফিউল ইসলাম