1. ahekram2006@gmail.com : ah ekram : ah ekram
  2. asadmd7195@gmail.com : JB Admin : JB Admin
  3. janatarbartabd@gmail.com : jb editor : jb editor
চট্টগ্রামের চার উপজেলাকে গৃহহীন-ভূমিহীনমুক্ত ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী  - দৈনিক জনতার বার্তা
সোমবার, ০৮ অগাস্ট ২০২২, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন

চট্টগ্রামের চার উপজেলাকে গৃহহীন-ভূমিহীনমুক্ত ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী 

জনতার বার্তা ডেস্কঃ
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২০ জুলাই, ২০২২

জনতার বার্তা ডেস্কঃ

চট্টগ্রামের চার উপজেলাকে ভূমিহীন-গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার। উপজেলা চারটি হলো— পটিয়া, কর্ণফুলী, সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) আনুষ্ঠানিকভাবে এসব উপজেলাকে ভূমিহীন-গৃহহীনমুক্ত বলে ঘোষণা দিবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  এদিন একইসঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে চট্টগ্রাম জেলায় ৩য় পর্যায়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৫৮৭টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ২ শতাংশ জমিসহ সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে নির্মিত ঘর হস্তান্তর করবেন তিনি।

বুধবার (২০ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান।

জেলা প্রশাসক বলেন, চট্টগ্রাম জেলায় এবারের ঘরগুলো উদ্বোধন কার্যক্রমের বিশেষত্ব হলো তালিকামতে পটিয়া, কর্ণফুলী, সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া উপজেলাকে ভূমিহীন-গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করা হবে। বাকি ১১ উপজেলায় যারা গৃহহীন ও ভূমিহীন রয়েছেন তাদের প্রত্যেককে এ বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে জমিসহ ঘর দেওয়া হবে।

এই দফায় চট্টগ্রাম জেলার এর মধ্যে চট্টগ্রামের পটিয়ায় ১০টি, বোয়ালখালীতে ১৫টি, চন্দনাইশে ১৫টি, সাতকানিয়ায় ২০টি, লোহাগাড়ায় ৫১টি, বাঁশখালীতে ১৫টি, হাটহাজারীতে ৬০টি, ফটিকছড়িতে ১০০টি, আনোয়ারায় ১০০টি, মীরসরাইয়ে ১০৯টি, রাউজানে ৫৪টি এবং সীতাকুণ্ডে ৩৮টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ০২ শতাংশ জমিসহ সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে ঘর দেওয়া হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান মমিনুর রহমান।

তিনি বলেন, এখনও গৃহহীন ও ভূমিহীন রয়েছে সেরকম যদি কোনো তালিকা আসে সেটারও ব্যবস্থা করা হবে। পর্যায়ক্রমে আরও ভূমিহীন বাড়তে পারে, যারা বাড়বে তাদের পর্যায়ক্রমে গৃহহীনের আওতায় নিয়ে আসবো। আপাতত সর্বশেষ যে তালিকা ছিল, সে তালিকা অনুযায়ী গৃহহীনদের ঘর দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এখন যাদের ঘর দেওয়া হচ্ছে তারা ‘ক’ শ্রেণির ভূমিহীন। অর্থাৎ তাদের জমিও নেই, ঘরও নেই। তাদের আগামী বছর জুন মাসের মধ্যে ঘর দেওয়া হয়ে যাবে। এরপর দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজটি শুরু হবে। যাদের অল্প একটু জমি আছে; কিন্তু সেই জমিতে থাকার মানসম্মত ঘর নেই। তাদের ‘খ’ শ্রেণির তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে। আগামী বছর জুলাই মাস থেকে ‘খ’ শ্রেণির গৃহহীন যারা রয়েছে তাদের ঘর দেওয়ার কাজ শুরু হবে।

শহরাঞ্চলের ভাসমান জনগোষ্ঠীদেরও পুনবার্সনের কথা উল্লেখ করে মমিনুর রহমান বলেন, শহরাঞ্চলের ভাসমান জনগোষ্ঠীদেরও পুনবার্সন করা হবে। স্বল্প মূল্যে ফ্ল্যাট নির্মাণ করে তাদের পুনর্বাসন করার উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া যারা অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন তাদের জন্যও আশ্রয়ণ ও গৃহায়নের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। প্রতিটি অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের ঘর নির্মাণের জন্য ১৪ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ‘বীর নিবাস’ প্রকল্পের অধীনে সকল উপজেলাতে অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের ঘর করে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। এটি অনন্য এক নজির।

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে ১ম সরকার গঠনের পর ১৯৯৭ সালে আশ্রয়হীনদের পুনর্বাসনের জন্য সরকারি অর্থায়নে প্রথম উদ্যোগ হিসেবে গ্রহণ করেন ‘আশ্রয়ণ প্রকল্প’। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীতে তার কন্যা দেশের সকল ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে বাসস্থান নিশ্চিতের ঘোষণা দেন।

‘মুজিবশতবর্ষে একজন লোকও গৃহহীন থাকবে না’ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সারাদেশে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ০২ শতাংশ জমিসহ সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে ঘর প্রদানের কার্যক্রম গ্রহণ করেন। তারই ধারাবাহিকতায় ১ম পর্যায়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গত বছরের ২৩ জানুয়ারি সারাদেশে ৬৩ হাজার ৯৯৯টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ০২ শতাংশ জমিসহ ঘর বরাদ্দ প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

সারাদেশের ন্যায় চট্টগ্রাম জেলায় ১ম পর্যায়ে ১ হাজার ৪৪৪টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ০২ শতাংশ জমিসহ সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে ঘর প্রদান করা হয়েছে। পরবর্তীতে ২য় পর্যায়ে গত বছরের ২০ জুন সারাদেশে ৫৩ হাজার ৩৩০টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ০২ শতাংশ জমিসহ সরকারি অর্থায়নে ঘর প্রদান করা হয়েছে। ২য় পর্যায়ে চট্টগ্রাম জেলায় ৬৪৯টি পরিবারকে ০২ শতাংশ জমিসহ সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে ঘর প্রদান করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ অনন্য উদ্যোগে এখন শামিল হবার জন্য বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবর্গ এগিয়ে এসেছেন। ইতোমধ্যে বেসরকারি উদ্যোগে চট্টগ্রাম জেলায় ১২০টি ঘর নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প খাতে অর্থ অনুদান দিচ্ছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
© ২০২০ সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক জনতার বার্তা বিডি পরিবার
কারিগরি সহায়তায় রাফিউল ইসলাম