1. ahekram2006@gmail.com : ah ekram : ah ekram
  2. asadmd7195@gmail.com : JB Admin : JB Admin
  3. janatarbartabd@gmail.com : jb editor : jb editor
চিত্তরঞ্জন কটন মিলস্ উচ্চবিদ্যালয়ে রাতের আঁধারে পাতানো নির্বাচন দিয়ে পকেট কমিটি - দৈনিক জনতার বার্তা
সোমবার, ০৮ অগাস্ট ২০২২, ১২:৫১ অপরাহ্ন

চিত্তরঞ্জন কটন মিলস্ উচ্চবিদ্যালয়ে রাতের আঁধারে পাতানো নির্বাচন দিয়ে পকেট কমিটি

রাকিবুল ইসলাম (নারায়ণগঞ্জ) রূপগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৭ জুলাই, ২০২২

রাকিবুল ইসলাম (নারায়ণগঞ্জ) রূপগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানার নাসিক ১০ নং ওয়ার্ড অবস্থিত খ্যাতি অর্জনকারী সনামধন্য চিত্তরঞ্জন কটন মিলস্ উচ্চ বিদ্যালয়টি। বিদ্যালয়টিতে সর্বশেষ ০৫/১০/২০১৭ ইং তারিখে অভিভাবক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু তাতে সভাপতি নির্বাচন নিয়ে সৃষ্ট সমস্যার কারনে নির্বাচনটি স্থগিত করে এডহক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের আইন লঙ্ঘন করে ৫ বছর যাবত বার বার এডহক কমিটি নবায়নের মাধ্যমে অধ্যাবধি চলছে কমিটি এতে করে বিদ্যালয়টির সার্বিক কার্যক্রম সহ লেখাপড়ার মান নিম্নমুখী হচ্ছে ও স্কুলের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ব্যহত হচ্ছে।

এ ব্যাপারে নির্বাচনের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চাপ থাকায় তরিগরি করে রাতের আঁধারে স্থানীয় কিছু স্বার্থান্বেষী মহলের বিশেষ কৌশলে অভিভাবকদের নির্বাচনী বিষয় না জানিয়ে সকল প্রকার দালিলিক নিয়ম কানুন তৈরি করে, একটি পকেটে কমিটি গঠন করে নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ দেখানো হয়। স্কুলের এই নব গঠিত পকেটে কমিটির সদস্য গন ছাড়া, কোন অভিভাবক এই নির্বাচন সম্পর্কে কিছু জানেন না।

অথচ কাগজ পত্রে স্কুলের ভোটার তালিকা হালনাগাত করন, নির্বাচনীয় তফসিল ঘোষণা থেকে শুরু করে ফলাফল পর্যন্ত সব কিছুই নিয়ম তান্ত্রিক ভাবে দেখানো হয়েছে। রাতের আঁধারে স্কুল নির্বাচনের এই প্রহসনের বিষয়টি অভিভাবকদের মহলে তীব্র ক্ষোভ ও ঘৃণা সৃষ্টি হয়েছে।

এবিষয়ে এক অভিভাবক সদস্য বলেন আমি বিগত কয়েকটি নির্বাচন করেছি অথচ এডহক কমিটি ঘোষণার পর ছয় মাসের মধ্যে বা তার দ্বিতীয় ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন দিতে হয় অথচ তারা নির্বাচন না দিয়ে দীর্ঘ ১৭ সাল থেকে ২২ আজ অবধি পর্যন্ত কিভাবে এই ট্রেমপ্রোরালি কমিটি থাকে। এ উপর আবার রাতের আঁধারে পাতানো নির্বাচন করে পকেট কমিটি তৈরি করেন আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই শিক্ষক ও সমাজের অভিভাবকরা যদি এমন নেক্কারজনক কাজ করেন তাহলে শিক্ষার্থীরা শিখবেন।

স্কুল নিয়ে কিছু স্বার্থান্বেষী মহলের এধরনের কার্যক্রম এলাকার ও অভিভাবকদের মনে প্রশ্ন তৈরি করেছে, আমরা কোন দেশে বসবাস করি? যেখানে স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসা নিয়েও নিজেদের স্বার্থ হাসিলে নোংরা রাজনীতিতে মেতে উঠে। বিষয়টি জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনি শংকর হালদার বলেন আমরা সকল নিয়ম নিতি মেনেই নির্বাচন দিয়েছি একজন অভিভাবক তার মেয়ে আমাদের স্কুলে পড়েন না আমি যাচাই বাছাই করে দেখেছি, এছাড়া সবাই জানে নির্বাচন সম্পর্কে।

যে স্কুলের পরিচালনা পরিষদ যত উন্নত ও বিচক্ষণ হয় সে স্কুলের শিক্ষার সঠিক মান ও উন্নত হয়। এব্যাপারে অভিভাবক মন্ডলীর ও ভূমিকা থাকতে হয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
© ২০২০ সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক জনতার বার্তা বিডি পরিবার
কারিগরি সহায়তায় রাফিউল ইসলাম