1. ahekram2006@gmail.com : ah ekram : ah ekram
  2. asadmd7195@gmail.com : JB Admin : JB Admin
  3. janatarbartabd24@gmail.com : jb editor : jb editor
চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমুলক অভিযোগ প্রত্যাখ্যান উজানটিয়াবাসীর! - দৈনিক জনতার বার্তা
বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ

চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমুলক অভিযোগ প্রত্যাখ্যান উজানটিয়াবাসীর!

আব্দুর রশিদ, পেকুয়া কক্সবাজারঃ
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২১

আব্দুর রশিদ, পেকুয়া কক্সবাজারঃ


পেকুয়া উপজেলা উজানটিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম শহিদুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে উঠা বিভিন্ন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে এলাকাবাসী। উজানটিয়ার মানুষের দাবী সম্প্রতি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো পরিকল্পিত ও ষড়যন্ত্রমূলক। আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের ইন্ধনে এসব অভিযোগ সাজানো হয়েছে বলে মত দিয়েছেন এই ইউনিয়নের সচেতন সমাজ।

সম্প্রতি দৈনিক প্রথম আলো, দৈনিক যুগান্তর, অন্যান্য সংবাদপত্র ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে চেয়ারম্যান এম শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের কথা উল্লেখ করে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। উজানটিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ সুতাচূড়া এলাকার বাসিন্দা মাহবুব উল আলম মনে করেন এসব প্রতিবেদন অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে করা হয়েছে। তিনি বলেন, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে তা ইতোমধ্যে সরেজমিন তদন্ত করেছেন সদ্য বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোতাছেম বিল্যাহ। প্রতিটি অভিযোগের কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পৈত্রিক স্বত্ত্বের বিরোধের জেরে চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলামের বড় ভাই মিজবাহ উদ্দিন জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এই অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব পান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পেকুয়া। সদ্য বিদায়ী ইউএনও মোতাছেম বিল্যাহ্ স্বাক্ষরিত তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, অভিযোগকারী মিজবাহ’র দায়ের করা ০৪ টি অভিযোগের কোনটির সত্যতা পাওয়া যায়নি। সবচেয়ে স্পর্শকাতর অভিযোগ অসহায় বুতিজা বেগমের ঘর জবর দখল ব্যাপারে তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, ঘরটি জৈনিক সেলিম উদ্দিন ভাড়া থাকেন। তিনি প্রতিমাসে ঘরের ভাড়া বাবদ টাকা বুতিজা বেগমের ওয়ারিশদের কাছে পৌঁছে দেন মর্মে জবানবন্দি দিয়েছেন ওয়ারিশরা। তাছাড়া বাদীর জমি জবর দখলের বিষয়টি নিয়েও সুস্পষ্ট কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তদন্ত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, চেয়ারমান কর্তৃক ভূয়া মৎস্যজীবি সমিতি গঠন অভিযোগের ব্যাপারে চেয়ারম্যান যথাযথ কাগজপত্র প্রদর্শন করেছেন এবং সমিতির সদস্যরা তাঁদের কাছ থেকে জোর করে স্বাক্ষর নেওয়ার বিষয়টি মিথ্যা ও বানোয়াট কথা বলে জবানবন্দি দিয়েছেন।

মাহফুজা বেগম নামের এক মহিলা থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা জোরপূর্বক আদায় করা হয়েছে বলে যে অভিযোগ রয়েছে তাও ঢাহা মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করেন দক্ষিণ সুতাচূড়া এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে জহিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, মাহফুজা বেগমের সাথে আমিও একটি সরকারি ঘর পেয়েছি। আমার সাথে তো কোন লেনদেন হয়নি। এসব মনগড়া কথা কিভাবে বিশ্বাস করা যায়। জহিরুল ইসলামের মতো একই এলাকার মো. ইউনূস, তসলিমা বেগম ও টেকপাড়া এলাকার নুরুল আমিনও জানান কোন লেনদেন ছাড়াই তাঁরা সরকারি ঘর পেয়েছেন। সুবিধাভোগী উজানটিয়ার এসব বাসিন্দাদের মতে, “ওই মহিলার সাথে চেয়ারম্যানের কোন প্রকার লেনদেন হয়নি। মূলত চেয়ারম্যানের জনসমর্থন দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে ওনাকে ঘায়েল করতে এসব অভিযোগ সাজানো হয়েছে।”

মধ্যম উজানটিয়া এলাকার বাসিন্দা মাস্টার আবুল কাশেম বলেন, টানা ১০ বছর উজানটিয়ার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন শহিদুল ইসলাম চৌধুরী। এই ইউনিয়নে তাঁর জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিপক্ষরা চেয়ারম্যানকে বিতর্কিত করতে ষড়যন্ত্র শুরু করেছেন। সামনে আসা অভিযোগগুলো হলো সে ষড়যন্ত্রের অংশ। উজানটিয়াবাসী সব বুঝে এবং জানে। এসব অভিযোগ ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন তাঁরা।

এদিকে অভিযোগকারী পারিবারিকভাবে বিচ্ছিন্ন ও স্বত্ত্ব লোভী ব্যক্তি বলে মন্তব্য করেছেন তাঁর (অভিযোগকারী) বড় ভাই এটিএম বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন, সম্পত্তির লোভে মিজবাহ সারাজীবন ভাই ও আত্মীয় স্বজনের সাথে বিরোধ করে আসছে। এমনকি ২০০১ সালে বিএনপি সরকারের আমলে রাজনৈতিকভাবে প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে তৎকালীন যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সাথে আঁতাত করে শহিদকে মামলা দিয়েছিলো সে। তাঁর সাথে শহিদের এসব বিরোধকে কাজে লাগিয়ে স্বার্থ উদ্ধার করতে চায় তাঁর (চেয়ারম্যান) বিরোধী পক্ষরা। তাকে টাকা দিয়ে এসব ভিত্তিহীন অভিযোগগুলো করা হচ্ছে। বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরীর সাথে একমত পোষণ করেছেন তাঁর ভাই শাহাব উদ্দিন চৌধুরী, কফিল উদ্দিন চৌধুরী ও সেলিম উদ্দিন চৌধুরী।

করিয়ারদিয়া মৌজার ১৭টি লবণ গোধী থেকে ১০ বছরে ৯৮ লাখ টাকা তোলে আত্মসাৎ করার ব্যাপারে স্থানীয় বাসিন্দা মাওলানা নুরুল ইসলাম বলেন, ইউনিয়নের বিচ্ছিন্ন দ্বীপ করিয়ারদিয়ার কুহেলিয়া নদীর পার্শ্ববর্তী এলাকাটি নির্জন। সেখানে জলদস্যুদের পদচারণা ছিলো। ইউনিয়নের আইন শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার স্বার্থে সেখানে চেয়ারম্যান মহোদয় ব্যক্তিগত অর্থায়নে প্রহরী নিয়োগ দিয়েছেন। এইটুকু জানে উজানটিয়াবাসী। সেখানে গোধীর প্রশ্ন তোলে টাকা আত্মসাতের অভিযোগগুলো টোটালি হাস্যকর।

এব্যাপারে চেয়ারম্যান এম শহিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে উজানটিয়াবাসীর সেবায় নিয়োজিত আছি। আমার ইউনিয়নের মানুষের প্রতি আমার আস্থা রয়েছে। তাঁরাও আমাকে বিশ্বাস করে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, এই এলাকার মানুষকে যারা বোকা মনে করে তাঁরা নিজেরাই আসল বোকা। এসব ভিত্তিহীন, বানোয়াট অভিযোগ করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টার জবাব আগামী ইউপি নির্বাচনে উজানটিয়ার জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে দিবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© ২০২০ সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক জনতার বার্তা বিডি পরিবার
কারিগরি সহায়তায় রাফিউল ইসলাম