1. ahekram2006@gmail.com : ah ekram : ah ekram
  2. asadmd7195@gmail.com : JB Admin : JB Admin
  3. janatarbartabd@gmail.com : jb editor : jb editor
জগন্নাথপুরে সম্পদের জন্য প্রবাসী ভাইকে হত্যার হুমকি দিয়ে কোটি টাকার গাছ কেটে নিল কয়েস - দৈনিক জনতার বার্তা
বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২, ১০:১২ পূর্বাহ্ন

জগন্নাথপুরে সম্পদের জন্য প্রবাসী ভাইকে হত্যার হুমকি দিয়ে কোটি টাকার গাছ কেটে নিল কয়েস

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৬ মে, ২০২২

সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ বাঘ ময়না গ্রামে লন্ডন প্রবাসী ভাইদের সম্পত্তি আত্মসাৎ এর লোভে প্রবাসী ভাইদের প্রাণে হত্যার পায়তারা করছে আপন ছোট ভাই কয়েস ও তার বাহিনী। শুধু তাই নয় প্রবাসী ভাইদের অনুপস্তিতিতে বাড়ির আঙ্গিনায় থাকা ৩০/৩৫ বছরের পুরোনো বিশাল বড় বড় বিভিন্ন জাতের প্রায় ২০০টি গাছ যার মুল্য প্রায় কোটি টাকার উপড়ে বিক্রি করেছে প্রাশন্ড ভাই কয়েস ও তার বাহিনী।

এমনটি অভিযোগ জানিয়েছেন আপন বড়ভাই লন্ডন প্রবাসী মো: রুকন মিয়া। ছোট ভাই প্রাশন্ড কয়েস এর ভয়ে দেশে এসে প্রাণের ভয়ে মাননীয় আদালতে এবং জগন্নাথপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেও নিরাপত্তাহীনতায় নিজের জীবন বাচাঁনোর প্রচেষ্টায় মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন তিনি। বিষয়টি প্রতিবেদককে জানালে ঘটনার সত্যতা জানতে সরেজমিনে অনুসন্ধাঁনে গিয়ে ভিডিও চিত্রে ফুঁঠে উঠে বাড়ির চার পাশে প্রায় ২ শতাধিক বড় বড় বিভিন্ন জাতের গাছ কেটে নেওয়ার দৃশ্যমান পেক্ষাপট। যা পরিবেশ বিনষ্টের একটি বিরাট ক্ষতিকর প্রবাহ যে কারও নজরে পড়ারমত।

জানাযায় উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বাঘ ময়না গ্রামের বাসিন্দা মৃত ইস্কন্দর মিয়ার ৪ ছেলের মধ্যে সবার ছোট কয়েস মিয়া। জগন্নাথপুরে বাঘ ময়না গ্রামে ভাইদের যৌথ সম্পতির উপর তাকেন তিনি। অন্যরা প্রায় ৩০/৩৫ বছর ধরে স্বপরিবারে লন্ডন প্রবাসে থাকেন। তার মধ্যে সবার বড় ভাই গিয়াস উদ্দিন ৩ বছর আগে স্ত্রী ও এক মেয়েকে প্রবাসে রেখে মারাযান। এবং মোঃ রুকন উদ্দিন ও মইনুদ্দিন স্বপরিবারে প্রবাসে থাকেন। জগন্নাথপুরের বাঘ ময়না গ্রামে চার ভাইয়ের নামে যৌথ খরিদ করা বিশাল সীমানাজুড়ে বসত বাড়ির আঙ্গিনা রয়েছে তাদের ।
আপন ভাইয়েরা প্রবাসে থাকার সুবাদে জায়গা জমি দেখাশুনাসহ জমিজমা ভোগকরে চলেছেন কয়েস মিয়া। নিজের ইচ্ছামত মনগড়া সিদ্ধান্ত নিয়ে অন্য ভাইদের সম্পত্তি আত্বসাৎ করার জন্য তার ভাড়াটিয়া বাহিনী দিয়ে আপন ভাইদের প্রাণে হত্যার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে তার উপর। দেশে এসে প্রাণে বাচাঁর জন্য প্রবাসী ভাইয়েরা জগন্নাথপুর থানাসহ আদালতে অভিযোগও দিয়েছেন। এর পরও থেমে নেই কয়েসের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড। তার ব্যাপারে যে সাক্ষী দিবে তাদের উপর শুরু হয় কয়েস বাহিনীর ষ্টিম রোলার।

সাংবাদিকের সাথে কথা বলার সন্দেহে ইতি মধ্যে কয়েস বাহিনীর হাতে একজন হামলার শিকার হয়েছেন বলেও জানাগেছে। সন্ত্রাসী কয়েসের ভয়ে তার বিরুদ্ধে কথা বলতে নারাজ এলাকার সাধারণ মানুষ। কে ঐ কয়েস ? নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার কয়েকজনের সাথে আলাপ করে জানা যায় কয়েস মিয়া এলাকায় একজন প্রভাবশালী নেতা, তিনি যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন। প্রবাস থেকে তার ভাইয়েরা যখন দেশে বেড়াতে আসেন এবং সম্পদের হিসাব চান তখনি কয়েস নিজ আপন ভাইদের মারধর করে প্রাণে হত্যার হুমকি প্রদান করেন । তার ভয়ে পরিবার নিয়ে দেশে আসতে নারাজ কয়েসের ভাইয়েরা। সম্পদের লোভে আপন ভাইকে যে মারতে চায় তার চেয়ে বড় সন্ত্রাসী ঐ এলাকায় আর কেউ নেই বলেও জানান অনেকে ।

কয়েসের ব্যাপারে যে কথা বলে তাকে হত্যার হুমকি অথবা হামলা করে কয়েসের মানোনীত লোকেরা। এব্যাপারে কয়েসের বড় ভাই মো: রুকন উদ্দিন জানান আমি আমার পরিবার নিয়ে প্রবাসে থাকি। দেশে আমার নিজ নামে খরিদকৃত জমি ও বাড়ি রয়েছে। আমাদের না জানিয়ে আমার ভাই কয়েস আমাদের চার ভাইয়ের অংশের বাড়ির চতু সীমানা জুড়ে থাকা সকল গাছ কেটে বিক্রি করে প্রায় কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। আমার জমির ধান তার ভাড়াটিয়া বাহিনী দিয়ে কেটে নিয়েছে এখন আমি দেশে এসে তাকে কারন জানতে চাইলে সে আমাকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে।

তার সাথে রয়েছে বাঘ ময়না গ্রামের বাসিন্দা মৃত মোবারক উল্লাহর ছেলে শিহাব উদ্দিন, সেলিম মিয়া,মৃত রুপ মিয়ার ছেলে জাবুল মিয়া, মখলিছ মিয়া, করসত উল্লার ছেলে মনা মিয়াসহ আরও অজ্ঞাত কয়েকজন।

আমি থানায় অভিযোগ দিয়েছি, আদালতে অভিযোগ দিয়েছি ,কিন্তু থানা পুলিশ এখনও কোন আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়ায় কয়েস আমাকে হত্যার পায়তারা করছে। আমি ভয়ে নিজের জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছি। যে কোন সময় আমার ভাই কয়েস ও তার বাহিনী সম্পদের জন্য আমার উপর হামলা করতে পারে। আমি প্রশাসনের কাছে বিচার চাই ,সহযোগিতা চাই। এ বিষয়ে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবেন এমটি দাবী জানান এলাকার ভোক্তভোগী মানুষেরা।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
© ২০২০ সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক জনতার বার্তা বিডি পরিবার
কারিগরি সহায়তায় রাফিউল ইসলাম