1. ahekram2006@gmail.com : ah ekram : ah ekram
  2. asadmd7195@gmail.com : JB Admin : JB Admin
  3. janatarbartabd@gmail.com : jb editor : jb editor
পেকুয়ায় মসজিদের ইমাম কর্তৃক মহান মুক্তিযুদ্ধ ও সরকার বিরোধী প্রচারণা! জনতার বার্তা - দৈনিক জনতার বার্তা
সোমবার, ০৮ অগাস্ট ২০২২, ০১:৩৪ অপরাহ্ন

পেকুয়ায় মসজিদের ইমাম কর্তৃক মহান মুক্তিযুদ্ধ ও সরকার বিরোধী প্রচারণা! জনতার বার্তা

পেকুয়া, প্রতিনিধিঃ
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১

পেকুয়া প্রতিনিধিঃ


কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ মেহেরনামা মুরার পাড়া জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা কপিল উদ্দীনের বিরুদ্ধে মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কটুক্তি ও মসজিদের মীম্বরে দাঁড়িয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক যুদ্ধাপরাধের প্রমাণিত দণ্ডিত ব্যক্তিদের নিয়ে প্রশংসা সরকারের সমালোচনা করেছেন।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, প্রতি শুক্রবার অথবা যে কোন বড়দিনে মসজিদের মেম্বারের দাঁড়িয়ে ওয়াজ-নসিহত করলে তখন তিনি জামায়াতে ইসলামীর নেতা যুদ্ধাপরাধী দন্ডিত এর জন্য সমবেদনা জানান এবং তাদের জন্য দোয়া করেন ও আওয়ামীলীগ সরকারকে জালেম সরকার বলে।

যুদ্ধাপরাধী দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী আলী হোসাইন মুজাহিদী মতিউর রহমান নিজামী আব্দুল কাদের মোল্লা এস এম কামরুজ্জামান। তাদেরকে সরকার বিনা দোষে শাস্তি দিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। তিনি এটাও বলেন মুক্তিযোদ্ধার আগে পাকিস্তান আমলে দেশ ভালো ছিল স্বাধীনতার পাড়া লোকাল আমাদের নির্যাতন করতে সরকার। এসময় তিনি হেফাজতি জমাতিয়া আকিদা মানুষদের কাছে প্রচার করেন।

ইমামের একাণ্ড দেখে খুব মুগ্ধ মসজিদ কমিটির সভাপতি উপজেলা আওয়ামীলীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক খলিলুর রহমান সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন।ইমামের কর্মকাণ্ডে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে জামায়াতে ইসলামী ইসলামের কর্মীদের সাথে আওয়ামীলীগ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের কর্মীদের সাথে দ্বন্দ্ব লেগেই আছে। ইমামের এইরকম কর্মকান্ডের ফলে যেকোনো সময় এলাকায় হতাহতের মত বড় দুর্ঘটনা হতে পারে।যারা মিলাদ কিয়াম করেন তাদেরকে কাফের বলে ফতোয়া দেন।

ওই এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী তাদের আত্মীয় মরাগেলে তাদের জানাজা পড়ালো না পড়া না বলে অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সহসভাপতি ফজল আমিন, জাতীয় শ্রমিকলীগ সভাপতি মুহাম্মদ রাসেল, শ্রমিক নেতা ডা হেলাল উদ্দিনরা বলেন, মসজিদের ইমাম একজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি হিসাবে বিবেচিত হয়। কিন্তু এখন মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কটুক্তি রাজাকারদের পক্ষে নাই ঘৃণার পাত্র হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। মসজিদের মিনারে দাঁড়িয়ে রাজাকারদের জন্য দোয়া করেছেন মিলাদ কিয়াম করেন তাদেরকে কাফের বলে ফতোয়া দিয়েছেন। ইমামের কারণে যেকোনো মুহূর্তে কোন হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

পেকুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক খলিলুর রহমান বলেন, মওলানা কফিল উদ্দীন একজন পাকিস্তানি সমর্থক মানুষ। তিনি জামাতের লোক ছাড়া অন্য কারো জানাজা পড়েন্না। তিনি মসজিদের মাইকে প্রকাশ্যে আওয়ামীলীগদেরকে তিরস্কার করেন।

এইসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কফিল উদ্দীন অস্বীকার করেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
© ২০২০ সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক জনতার বার্তা বিডি পরিবার
কারিগরি সহায়তায় রাফিউল ইসলাম