1. ahekram2006@gmail.com : ah ekram : ah ekram
  2. asadmd7195@gmail.com : JB Admin : JB Admin
  3. janatarbartabd@gmail.com : jb editor : jb editor
বায়েজিদের বাংলাবাজারে গ্রাম সিএনজি ট্যাক্সি থেকে প্রতিদিন লাখ টাকার চাঁদাবাজি - দৈনিক জনতার বার্তা
রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ০৮:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
হাইমচরে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত সাগরিকা বিসিক শিল্প এলাকার একটি হোমল্যান্ড কেমিক্যাল গ্রিস কারখানায় শর্ট সার্কিট থেকে আগুন! যমুনা অয়েল কোম্পানি, ডেনমার্ক এম্বাসি, বি আরটিসি চাকরি নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক মামুন ও রহিমঃ! হাইমচরে চেয়ারম্যান পদে ১১, মেম্বার পদে ৫৭, সংরক্ষিত ২১ জনের মনোনয়ন পত্র জমা! গাইবান্ধায় জমি সংত্রান্ত ব‍্যাপারে মারপিট বাড়ীঘর ভাংচুর, থানায় অভিযোগ! ঝিনাইদহ কোটচাঁদপুরে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএমপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও চিকিৎসার দাবীতে যুবদলের বিক্ষোভ! হাইমচরে মেম্বার প্রার্থী জসিম উদ্দিন ভূইয়ার নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত! হাইমচরে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সাহাউদ্দিন টিটুর মনোনয়নপত্র জমা!

বায়েজিদের বাংলাবাজারে গ্রাম সিএনজি ট্যাক্সি থেকে প্রতিদিন লাখ টাকার চাঁদাবাজি

এইচ এম শাহাবউদ্দিন তাওহীদ, কক্সবাজার।
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২১

এইচ এম শাহাবউদ্দিন তাওহীদ, কক্সবাজার।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) বায়েজিদ বোস্তামী থানার বাংলাবাজারের পৃথক তিনটি এলাকায় অবৈধ গ্রাম সিরিয়ালের সিএনজি ট্যাক্সি সার্ভিস থেকে লাখ- লাখ টাকার চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠেছে। অভিযোগে জানা যায়, চট্টগ্রাম মহানগরীতে চলাচল নিষিদ্ধ গ্রাম সিরিয়ালের প্রায় পাঁচ শতাধিক সিএনজি অটোরিক্সা চলাচল করে এ এলাকায়। স্থানীয় কতিপয় পাতি নেতা ও পুলিশের সোর্স পরিচয়ধারি ব্যক্তিরা এসব ট্যাক্সির নিয়ন্ত্রণ করে। জানা যায়,শেরশাহ বাংলাবাজার থেকে জামতলা ডেবার পাড় এলাকায় প্রায় 50 টিরও বেশি গ্রাম সিএনজি ট্যাক্সি চলে আনোয়ার হোসেন প্রকাশ সোর্স আনোয়ারের নেতৃত্বে। এছাড়া বাংলাবাজার থেকে বায়েজিদ ফৌজদার হাট লিংক রোডে আরো শতাধিক ট্যাক্সি চলে স্থানীয় যুবলীগ নেতা পরিচয়ধারি জনৈক আবুলের নেতৃত্বে। অপরদিকে বাংলাবাজার তারা গেইট মোড় থেকে ছিন্নমূল রোডে আরো শতাধিক ট‍্যাক্সি চলে ছিন্নমূল এলাকার জনৈক ইয়াছিনের নেতৃত্বে। সূত্রেমতে, সব মিলিয়ে প্রায় পাঁচ শতাধিক ট্যাক্সি থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার চাঁদা উত্তোলন করছে চক্রটি। আর এই চাঁদার ভাগ পৌঁছে যায় বিভিন্ন স্থানে। অনুসন্ধানে জানা যায়, বাংলাবাজারের পেছনের মোড় থেকে ডেবারপাড় জামতলা পর্যন্ত চলাচলরত সিএনজি ট্যাক্সি গুলোর অধিকাংশেরই বৈধ কোনো কাগজপত্র নেই। অধিকাংশ চালকের ও কোনো ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই। চাঁদাবাজি ছাড়াও অনভিজ্ঞ এসব চালকরা প্রতিনিয়ত ঘটাচ্ছে দুর্ঘটনা। এসব চালকরা অবৈধভাবে রাস্তার বিশাল একটি জায়গা দখল করে বানিয়েছে ট‍্যাক্সি ষ্টেশন। এ কারণে প্রতি মুহূর্তে লেগে থাকে যানজট সহ নানা বিশৃঙ্খলা। সূত্র জানায়, নতুন করে এই লাইনে গাড়ি ঢুকাতে হলে, আনোয়ার ও আবুল নামের অপর এক ব্যক্তিকে দিতে হয় এককালীন 30 হাজার টাকা। এছাড়া প্রতিদিন ওয়েবিলের নামে প্রতি গাড়ি 100 টাকা করে দিতে হয় চাঁদা। লাইনম্যান চেকারির নামে আবুল ও সেলিম মিলে এই চাঁদা উত্তোলন করে বলে জানা গেছে। এছাড়া সোর্স পরিচয় দানকারী জনৈক সামশু প্রতিরাতে এদের কাছ থেকে চাঁদার ভাগ নিয়ে যায় বলেও সূত্রটি নিশ্চিত করেছে। জানতে চাওয়া হলে, আনোয়ার রেগে গিয়ে বলেন, আমি কোনদিন এদের কাছ থেকে এক কাপ চা ও খাইনি। এ সময় তিনি অশালীন ভাষা ব্যবহার করে বলেন, তারা আমার নাম বিক্রি করে। এ সময় তিনি স্থানীয় একটি পত্রিকার সাংবাদিকের নাম উল্লেখ করে বলেন, কয়েকদিন আগে একই ব্যাপারে আমাকে ওই পত্রিকা অফিসে ডেকে ছিল। আপনারা যাচাই করে দেখেন। আর অবৈধ এসব সিএনজির বিরুদ্ধে প্রতিবেদন করলে, তার কোন সমস্যা নেই বলেও জানান। তবে সরেজমিনে গতকাল জামতলা এলাকায় গিয়ে আবুল ও সেলিমকে ট‍্যাক্সি ষ্ট‍্যান্ডে পাওয়া যায়। জানতে চাওয়া হলে, সেলিম জানায়, আমি কোনো কিছুতে নেই। শুধু ওয়েবিলের টাকা তুলি। এই টাকা কার কাছে জমা দিতে হয় প্রশ্ন করলে, তিনি কোনো কথা বলেন নি। এছাড়া আবুল জানান, ভাই এই লাইনের সাথে আমার সম্পৃক্ততা নেই। আমার দুইটি ব্যাটারি রিক্সা আছে, একটি আমি চালাই আর অপরটি ভাড়া দিয়ে আমি চলি। অপরদিকে বাংলাবাজার থেকে বায়েজিদ ফৌজদারহাট সড়কে চলাচলরত ট‍্যাক্সির নিয়ন্ত্রক যুবলীগ নেতা পরিচয়দারি অপর আবুল হোসেন সবচাইতে বেশি চাঁদাবাজি করছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। গতকাল বাংলা বাজার সংলগ্ন ওই ট্যাক্সি ষ্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে নালার পাশে একটি অফিস খোলে 8-10 আড্ডা করছে। কয়েকজন লাঠি হাতে গাড়ী সারিবদ্ধ করাও চাঁদা উত্তোলনে ব্যস্ত রয়েছে। এ সময় এ প্রতিবেদক আবুলের অনুসন্ধান করলে, তিনি নেই বলে জানিয়েছেন। টেলিফোনে আবুলের সাথে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে ছিন্নমূল এলাকার ইয়াছিনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক বলেন, নগরে জেলার অটোরিক্সা এবং জেলায় নগরের অটোরিক্সা চলাচল করতে পারবে না। বিআরটিএর ভ্রাম্যমান আদালত অবৈধভাবে চলাচলরত গাড়ি জব্দ করছে। সিএনজি টেক্সি মালিক সমিতির এক নেতা জানান, নগরীর অলিগলির প্রবেশপথগুলোয় রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় এবং থানা, বিট ও ট্রাফিক পুলিশের সহযোগিতায় অবৈধভাবে সিএনজি অটোরিকশা চলাচল করছে। এ প্রসঙ্গে বায়েজিদ বোস্তামী এলাকার ট্রাফিক পরিদর্শক (টিআই) মনজুর হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, শুধু বাংলাবাজার কেনো বায়েজিদের বিভিন্ন রোডে চলাচলকারী গ্রাম সিএনজি ট‍্যাক্সি চলাচলের সাথে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© ২০২০ সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক জনতার বার্তা বিডি পরিবার
কারিগরি সহায়তায় রাফিউল ইসলাম