1. ahekram2006@gmail.com : ah ekram : ah ekram
  2. asadmd7195@gmail.com : JB Admin : JB Admin
  3. janatarbartabd@gmail.com : jb editor : jb editor
বৃষ্টির পানিতে ভাসছে কাটা ধান কৃষকের মরার ওপর খাড়ার ঘা - দৈনিক জনতার বার্তা
বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন

বৃষ্টির পানিতে ভাসছে কাটা ধান কৃষকের মরার ওপর খাড়ার ঘা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৯ মে, ২০২২

এইচ এম বাবুল আক্তার স্টাফ রিপোর্টারঃ

এ বছর প্রায় ২৫ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ করা সম্ভাব হয়নি যশোরের ভবদহ অঞ্চলে জলাবদ্ধতার কারনে। অপেক্ষা কৃত ডাঙ্গা এলাকার কিছু বিলে কৃষকেরা নিজেদের চেষ্টায় পাম্প দিয়ে সেচে শুকিয়ে বোরো আবাদ করেছেন।

তবে গত ৩ দিনের বৃষ্টিতে ওই সব এলাকার কাটা ধান ক্ষেতে পানি জমে ধান ভেসে রয়েছে। এতে ওই এলাকার কৃষকের ওপর মরার ওপর খাড়ার ঘা পড়েছে।

ভবদহ অঞ্চলে গত ২ দিনের বৃষ্টিতে মাঠে পানি জমে। ক্ষতি পুষাতে কাচা ধান কেটে ঘরে তুলছে বাহিরডাঙ্গা গ্রামের এক কৃষানী ।

অভয়নগর উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় এ বছর ১২ হাজার হেক্টর জমিতে বোবো ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ভবদহ জলাবদ্ধতা এলাকায় কৃষকের প্রচেষ্টায় প্রায় ৫শ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। এছাড়া মনিরামপুর,কেশবপুর, ফুলতলা ও ডুমুরিয়া উপজেলার ভবদহ জলাবদ্ধতা এলাকায় আরো কিছু জমিতে কৃষকেরা পাম্প দিয়ে পানি সেচে শুকিয়ে বোরো আবাদ করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভবদহ এলাকার ওই সব বিলে বোরো ধানের চাষের জমির পাশে বাঁধ। বাঁধের পাশের জমিকে এখনো বুক সমান পানি। বাঁধ ভেঙ্গে গেলে ডুবে যাবে পাকা ধান। ঘন ঘন বৃষ্টিপাতের কারনে কৃষকেরা এমন আশংকা করছেন। গত ২ দিনের বৃষ্টিতে অনেকের কাটা ধান পানির ওপর ভাসছে। কৃষকেরা ধান নষ্ট হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য অতিরিক্ত শ্রম দিয়ে ওই ধান ডাঙ্গায় তুলছেন। এতে অনেক ধান ঝরে যাচ্ছে ও ভেজা ধানে গাছ গজিয়ে যাচ্ছে। খরচ হচ্ছে বেশী।
সুন্দলী গ্রামের অশান্ত ধর জানান, তার এলাকার একটি বিল এক মাস যাবত পাম্প লাগিয়ে শুকানো হয়েছে। বিল শুকানোর জন্য তাকে দুই বিঘা (৮৪ শতাংশ) জমিতে প্রায় ৫ হাজার টাকা গুনতে হয়েছে।

তাছাড়া অন্যন্য খরচ বাবদ বিঘা প্রতি আরো প্রায় ১৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। উৎপাদিত ফসল তিনি সারা বছরের খোরাক হিসাবে ঘরে তুলে রাখবেন। কিন্তু গত সোম ও মঙ্গলবারের ভারি বৃষ্টিতে তার কাটা ধান খেতে পানি জমে গেছে। তিনি ওই ধান অতিরিক্ত শ্রমিক খরচ করে ডাঙ্গায় তুলে শুকাতে দিয়েছেন। এতে তার অনেক ধান ঝরে গেছে এবং খরচও বেশি হচ্ছে। তার মতো অনেক কৃষক এসব কথা জানান।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা গোলাম সামদানী বলেন, ‘আমরা কৃষদের পাকা ধান দ্রুত কেটে ঘরে তুলার জন্য পরামর্শ দিয়েছি। তিনি আরো জানান, ভবদহ এলাকার কিছু কাটা ধান খেতে পানি জমে গেছে। এতে তেমন কোন ক্ষতি হবে না।’ সর জমিনে মাঠ ঘুরে দেখা যায় কৃষক কাজে ব্যাস্ত,তবে হতাশ – কারণ খুজতে জানা যায় বিঘা প্রতি যে উৎপাদন খরচ হয়েছে তা বিক্রয় মূল্যের চেয়ে কনেক কম।বেশির ভাগ কৃষকের অভিযোগ করকারী ভাবে কোন প্রকার সহায়তা বা কোন প্রকার পরামর্শ তাদের কাছে পৌছায় না।নিজেদের মত করে নিজোরাই বোরো চাষ করে ঘরে ফসল তুলছে।।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
© ২০২০ সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক জনতার বার্তা বিডি পরিবার
কারিগরি সহায়তায় রাফিউল ইসলাম