1. ahekram2006@gmail.com : ah ekram : ah ekram
  2. asadmd7195@gmail.com : JB Admin : JB Admin
  3. janatarbartabd@gmail.com : jb editor : jb editor
মগনামা গ্রাম-গঞ্জে চলতেছে টেলিভিশন,লুডু ও জুয়ার আসর! - দৈনিক জনতার বার্তা
সোমবার, ২৭ জুন ২০২২, ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন

মগনামা গ্রাম-গঞ্জে চলতেছে টেলিভিশন,লুডু ও জুয়ার আসর!

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৬ মার্চ, ২০২২

পেকুয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধিঃ

পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের গ্রাম-গঞ্জে প্রায় প্রতিটি চায়ের দোকানে রয়েছে কেরাম বোর্ড। রাস্তার পাশের দোকানে রয়েছে তাশ ও লুডু খেলার আড্ডা। ছাত্র ও যুবকদের বেশিরভাগ অংশই সকাল-বিকাল-সন্ধ্যা সেই খেলায় সময় দিচ্ছে অনেকেই।
বলা যায়, সময় জ্ঞাননেই বলেই তারা সময়কে বিপদে কাজে লাগাচ্ছে। এই কারণে ধ্বংস হচ্ছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ। যুব সমাজ ধীরে ধীরে জুয়ার সাথে মিশে যাচ্ছে। বিপর্যস্ত হচ্ছে তারা। বাক-প্রতিবন্ধি মানুষের মতই সমাজের একটি প্রবীণ শ্রেণি নিজেদেরকে পুরোপুরি সম্পৃক্ত না করলেও বাধা দিচ্ছেন না।

অন্যদিকে প্রচলিত আইনেও এটি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিশেষ করে রাস্তার পাশে দোকানগুলোতে কেরাম, লুডু ও তাশ খেলা সম্পূর্ণ অবৈধ। তবে নিবন্ধিত রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক ক্লাবগুলোতে সময় কাটানোর উদ্দেশ্যে খেলতে বাধা নেই প্রচলিত আইনে। তথাপি অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এর ভিন্ন চিত্র। ছাত্র ও যুবকরা খেলায় প্রতিযোগীতার পাশাপাশি বাজি ধরে অনেক সময়ই খেলে থাকে। কিছু কিছু সময় বাজি ধরে টাকার অংক নাও হলেও সেটি দোকানের বিভিন্ন কোমল পানীয় অথবা ফাস্টফুড আইটেম হয়ে থাকে। এতে করে ছাত্ররা প্রতিদিন ২০-২৫ টাকা অনর্থক ব্যয় হয়।। পাশাপাশি বোর্ড ভাড়া দিয়ে আবার অতিরিক্ত টাকা গুনতে হয়। ছাত্রদের বাবার পকেটের টাকা ব্যাতীত আয়ের তেমন কোন উৎস নেই। প্রতিনিয়ত টাকা বাজে পথে খরচ করতে গিয়ে ঘরে চুরির অভ্যাস গড়ে উঠে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। বাজি ধরা বা জুয়া নামক এই সামাজিক ব্যাধীতে অনেক পরিবার ধ্বংসের পথে চলে যাচ্ছে। আর সমাজের ছোট-ছোট ব্যাধীই যে এক সময় বড় ধরণের অপরাধমূলক কর্মকান্ডে ছাত্র ও যুবসমাজ নেতৃত্ব দেয় সেটি সবারই জানা।

মগনামা কাজির মার্কেট বাজার সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন জানান, গত ৩০ ফেব্রুয়ারি বাজারের মাসিক সভায় লুডু ও কেরাম খেলা নিয়ে অলোচনা করা হয়েছে। এরপরেও যদি কেউ এইসব খেলা করার সুযোগ দিয়ে থাকে তাহলে বাজার কর্তৃপক্ষ এর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

মগনামা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইউনুছ চৌধুরী বলেন, এলাকায় এলাকায় মাইকিং করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোন প্রকার জুয়া, কেরাম, লুডু খেলা চলবেনা। আর রাত ৮টার পরে কোন দোকান খুলা থাকবেনা, অযথা কেউ বাহিরে ঘুরাঘুরি করেত পারবেনা। খবর নিয়ে জানা গেছে, প্রতিটি গ্রামে ৫-৭ টি কেরামবোর্ড রয়েছে চায়ের দোকানগুলোতে।

পুলিশ প্রশাসন সুনির্দিষ্ট অভিযান চালিয়ে বন্ধ না করলেও অনেক সময় আসামী গ্রেফতার করতে গিয়ে রাস্তার পাশে কেরামবোর্ড দেখলে ভেঙ্গে চলে আসেন। কিন্তু অনেক টাকা খরচ করে একজন দরিদ্র চায়ের দোকানদার কেরামবোর্ড ক্রয় করে কিছু আয়ের জন্য। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ঋণের টাকা নিয়েই ক্রয় করতে হয়। কিন্তু অসহায় ব্যক্তিটি দেশের প্রচলিত আইন না মানায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। পাশাপাশি প্রায় প্রতিটি দোকানেই টেলিভিশন চালিয়ে গভির রাত পর্যন্ত আড্ডার মগ্ন থাকে এলাকা কিছু লোক।

তাতে করেও চোর-ডাকাতের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ব্যাপারে পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি উপজেলা নির্বাহী মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সুশিল সমাজ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
© ২০২০ সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক জনতার বার্তা বিডি পরিবার
কারিগরি সহায়তায় রাফিউল ইসলাম