1. ahekram2006@gmail.com : ah ekram : ah ekram
  2. asadmd7195@gmail.com : JB Admin : JB Admin
  3. janatarbartabd@gmail.com : jb editor : jb editor
মা হারা ছাগল ছানার প্রতি গাভির বিরল ভালোবাসা! জনতার বার্তা - দৈনিক জনতার বার্তা
বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২, ১১:২৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ

মা হারা ছাগল ছানার প্রতি গাভির বিরল ভালোবাসা! জনতার বার্তা

মোঃ নাজমুল হুদা, রংপুর বিভাগীয় প্রধান।
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১

মোঃ নাজমুল হুদা, রংপুর বিভাগীয় প্রধান।

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ৯ মাস ধরে মা হারা এক ছাগলের বাচ্চাকে নিজের দুধ খাওয়াচ্ছে একটি গাভি। ঘটনাটি রীতিমতো মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়েছে। এ কারণে ছাগলের প্রতি গাভির বিরল এই ভালোবাসার দৃশ্যটি এক নজর দেখার জন্য ওই বাড়িতে ভিড় করছে মানুষ।

ঘটনাটি উপজেলার গঙ্গাচড়া ইউনিয়নের মেডিকেলপাড়ায়। সেখানকার প্রয়াত সাংবাদিক ইমদাদুল হক মিলনের বাড়িতে মায়ার বাঁধনে থাকা ছাগল ও গাভির দেখা মিলবে।

জানা গেছে, ছাগলটির মা বাচ্চা প্রসবের পর মারা যান। এরপর থেকে এতিম ছাগল ছানাকে বাঁচাতে গাভির দুধ খাওয়ানো শুরু করেন মেহেরুন নেছা চায়না। দুধ খেতে দেওয়া ওই গাভির নিজেরও বাচ্চা (বাছুর) রয়েছে। মেহেরুন অবুঝ এ প্রাণি দুটিকে আদর করে নামও দিয়েছেন। ছাগলের বাচ্চার নাম রবি, আর গাভির বাচ্চার নাম বাহাদুর। ওই নামে ডাক দিলেই ছুটে আসে ছাগল ও গাভির বাচ্চা।

মেহেরুন নেছা জানান, এখন আর ধরে নিয়ে গিয়ে ছাগলের বাচ্চাকে গাভির দুধ খাওয়াতে হয় না। ছাগলের বাচ্চাকে নিজের সন্তানের মতো করেই দুধ খেতে দেন মা গাভি। শুরুতে বিরক্তবোধ থাকলেও এখন তা আর নেই।

তিনি আরও জানান, ছাগলের বাচ্চার বয়স ৯ মাস হতে চলেছে। আর গাভির বাচ্চাটির বসয় ১০ মাসের কাছাকাছি। এখন ছাগলের বাচ্চাটা ক্ষুধা পেলেই গাভির কাছে দুধ খেতে ছুটে যায়। কোনো বাধা ছাড়াই গাভিও দুধ খেতে দেয়। গাভির দুধ খেয়ে ছাগলের বাচ্চাটি বড় হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল বারী স্বপন বলেন, গরু-ছাগল আলাদা জাত হলেও এই বাচ্চা দুটির মধ্যে বেশ ভাবও রয়েছে। যেন একই মায়ের দুই সন্তান। গাভির দুধ পান করে ছাগলের বাচ্চা বড় হওয়ার দৃশ্য খুব কমই চোখে পড়ে। এটা ছাগলের প্রতি গাভির বিরল মায়া।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
© ২০২০ সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক জনতার বার্তা বিডি পরিবার
কারিগরি সহায়তায় রাফিউল ইসলাম