1. ahekram2006@gmail.com : ah ekram : ah ekram
  2. asadmd7195@gmail.com : JB Admin : JB Admin
  3. janatarbartabd@gmail.com : jb editor : jb editor
6 ডিসেম্বর লালমনিরহাট মুক্ত দিবস। জনতার বার্তা - দৈনিক জনতার বার্তা
বুধবার, ২৯ জুন ২০২২, ০৯:০৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
হলদিয়া পালং ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত কমিটি  মিন্টু ও কালাম ঝিনাইদহ মহেশপুরে (ভৈরবা) গ্ৰামের এনামুল ১০০ বোতল ফেন্সিডিল ও মাইক্রো গাড়ি সহ আটক গোমস্তাপুরে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার আসামি কে আটক করেছে র‍্যাব ঝিনাইদহ আড়াই’শ বেড হাসপাতালের কাপড় ধোলাই করে কনষ্ট্রাকশন র্ফাম! পেকুয়া বাজার কাঠ ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত সিলেটে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে রেলওয়ের পুলিশ সুপারের উপহার সামগ্রী বিতরন। রীতিমতো সামাজিক যোগাযোগে পরিচিত শামীম আহমেদ! পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে নেহালপুর স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিশাল আনন্দ শোভাযাত্রা

6 ডিসেম্বর লালমনিরহাট মুক্ত দিবস। জনতার বার্তা

আব্দুল লতিফ মৃধা
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২১

আব্দুল লতিফ মৃধা, লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

৬ ডিসেম্বর লালমনিরহাট হানাদার মুক্ত দিবস।
১৯৭১ সালের এই দিনে লালমনিরহাট জেলাকে শত্রুমুক্ত করতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মরণপণ লড়াই আর মুক্তিকামী জনগণের দূর্বার প্রতিরোধে পাক হানাদারবাহিনীর পতন করেন। এক পর্যায়ে চূড়ান্ত বিজয়ের পূর্ব মুহূর্তে মুক্তিযোদ্ধারা লালমনিরহাট ঘিরে ফেললে অবস্থা বেগতিক দেখে এই দিনে ভোর ৬টায় লালমনিরহাট রেলওয়ে স্টেশন থেকে পাক সেনা, রাজাকার আলবদর ও তাদের দোসররা দুটি স্পেশাল ট্রেনে করে রংপুর ক্যান্টনমেন্টে পালিয়ে যায়।

হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা অস্ত্র হাতে গড়ে তুলেছিল প্রতিরোধ।
তিস্তা নদী পার হওয়ার পরে পাক সেনারা তিস্তা রেল সেতুতে বোমা বর্ষণ করে সেতুর মারাত্মক ক্ষতি সাধন করে। লালমনিরহাটে ৭১-এর এই দিনে এখানে সর্বত্রই ছড়িয়ে পড়ে মুক্তির উল্লাস। লালমনিরহাট শত্রুমুক্ত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে চারদিক থেকে লোকজন ছুটে আসতে থাকে শহরের দিকে। সন্ধ্যার মধ্যে শহরের প্রাণকেন্দ্র মিশন মোড় এলাকায় লোকে পূর্ণ হয়ে যায়। স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে শহর ও আশ-পাশের গ্রাম। আনন্দে উদ্বেলিত কণ্ঠে স্বদেশের পতাকা নিয়ে ছুটোছুটি করতে থাকে তরুণ, যুবক, আবাল বৃদ্ধ বনিতা সকলই।

এদিন সারাদিন উত্তেজনা নিয়ে লালমনিরহাট শহর, জনপদ ও লোকালয়ের মানুষ জড়ো হতে থাকে। পরে জেলা শহরের বিভিন্নস্থানে আনন্দ মিছিল ও পরদিন ৭ ডিসেম্বর বাঁধ ভাঙা জোয়ারের জয় বাংলা ধ্বনি দেন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের কালো রাত্রিতে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে লালমনিরহাটের মুক্তিযোদ্ধারা অস্ত্র হাতে গড়ে তুলেছিল প্রতিরোধ। ৬ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে পাক বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত হয় এ জেলা। মুক্তিযুদ্ধের সময় গোটা বাংলাদেশকে ১১টি ভাগ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৬নং সেক্টর শুধু বাংলাদেশের মাটিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আর সেটি অবস্থিত লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারীতে।

যাদের রক্তের মাধ্যমে স্বাধীন লালমনিরহাট তাদের জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
© ২০২০ সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক জনতার বার্তা বিডি পরিবার
কারিগরি সহায়তায় রাফিউল ইসলাম